শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

সর্বশেষ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সিলেটের পরিচিত মুখ নওয়াব আলী হাসিব খান, রাজনীতির সীমানা পেরিয়ে মানবতার ফেরিওয়ালা নথিপত্র রিসিভ হতেই আসামির টেবিলে: বিআরটিএ-তে ‘গোপন তথ্য পাচার’ সিন্ডিকেট, এডি ইমরানের বেপরোয়া হুমকি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন রাজ্জাক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অপরাধ ঠেকাতে ভিন্ন কৌশল: রেলের ‘সুরুচি ক্যাটারারস’ সিন্ডিকেটের নেপথ্য গডফাদার রাজ্জাকের থলের বিড়াল এবার প্রকাশ্যে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ রেলওয়ের ক্যাটারিং সেবার আড়ালে টিকিট কালোবাজারি সিন্ডিকেট, নেপথ্যে আব্দুর রাজ্জাক আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় সংসদ এর আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
নোটিশ
📢 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 📢 দৈনিক মিডিয়া বাজ পত্রিকায় জেলা, উপজেলা ও মহানগর পর্যায়ে বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। ✅ আগ্রহী প্রার্থীদেরকে অনুরোধ করা হচ্ছে, তাদের সম্পূর্ণ সিভি (CV) নিচের ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে বলফ যাচ্ছে: 📧 ই-মেইল: editor.mediabuzz@gmail.com. 📱 হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৮৯৮২৯৪২৭৪।  🔒 সতর্কতা: উল্লেখিত ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম বা নম্বরে যোগাযোগ করলে এবং তাতে কেউ প্রতারণার শিকার হলে, দৈনিক মিডিয়া বাজ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

গণধোলাইয়ে স্ত্রী হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছাড়া ইউনিয়নের মিনু আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্বামী ফরিদুল আলমের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ফরিদুল আলম বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের ডোংরা কালু ফকিরবাড়ির মৃত দুধু মিয়ার ছেলে।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ৩ টার দিকে বাঁশখালীর বাহারছাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ইলশা এলাকা থেকে ফরিদুল আলম কে আটক করে স্থানীয়রা। পরে গণধোলাই দিয়ে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়।

বাঁশখালী থানার এসআই কামরুল হাসান কায়কোবাদ বলেন, ‘গণধোলাইয়ে ফরিদুলের গুরুতর আহত হন। এর জেরে তাকে চমেক হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের বুধবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পশ্চিম ইলশার শেওলা বাপের নতুন বাড়িতে মিনুকে হত্যা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে ফরিদুল আলম ও মিনুর বিয়ে হয়। তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। ব্যবসার কারণে প্রায়শ চট্টগ্রাম শহরে থাকতেন ফরিদুল। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসতেন। পারিবারিক বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের দুজনের মধ্যে মতবিরোধ চলে আসছিল।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে বাড়িতে আসেন ফরিদুল আলম । পরে ঘুমন্ত স্ত্রী মিনুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। মিনুর চিৎকার শুনে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তার আগেই মিনুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মিনুর ভাই নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *