শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
সম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকা/অনলাইন পোর্টালে “সাভার সার্কেলে বদরুল আলম খানের শতকোটির ‘দুর্নীতি সাম্রাজ্য’, মুখ খুললেন স্ত্রী” শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা আমার ও আমার পরিবারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটিতে আমার পেশাগত জীবন ও ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে যে সমস্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য ও বস্তুগত প্রেক্ষাপট:
১. পেশাগত দুর্নীতি ও পদায়ন সংক্রান্ত অভিযোগের জবাব:
সংবাদে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা সার্কেল এবং সাভার সার্কেলে ঘুষ বাণিজ্য, নকশা জালিয়াতি, ঠিকাদার সিন্ডিকেট পরিচালনা ও ২০০ কোটি টাকার কাজ বিতরণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। আমি আমার দীর্ঘ কর্মজীবনে সর্বদা সততা, নিষ্ঠা ও সরকারি বিধিমালা মেনে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো ধরনের অবৈধ সিন্ডিকেট বা রাজনৈতিক তদবিরের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নির্দিষ্ট কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করতেই এসব মনগড়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
২. ব্যক্তিগত জীবন ও পারিবারিক বিরোধের নেপথ্য সত্য:
সংবাদে আমার স্ত্রীর বক্তব্য হিসেবে যে সমস্ত অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা একপেশে এবং পারিবারিক বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার একটি অপচেষ্টা। বিগত প্রায় ২৫ বছর ধরে আমার স্ত্রী বিভিন্ন অজুহাতে আমার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। প্রতিনিয়ত অবর্ণনীয় নির্যাতন এবং চরম জীবনঝুঁকির মুখে পড়ে বাধ্য হয়েই আমি নিজের জীবন রক্ষার্থে আলাদা বসবাস করতে শুরু করি।
৩. সম্পত্তি ও অন্যান্য অভিযোগ:
আমার বিরুদ্ধে সম্পত্তি ভাই-বোনদের নামে লিখে দেওয়া বা অবৈধ উপার্জনের যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। নিজের ও সন্তানদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনের ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ধরনের মানহানিকর তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা অত্যন্ত দুঃখজনক।
অতএব, আপনাদের বহুল প্রচারিত গণমাধ্যমের একপেশে ও সত্যের অপলাপ ঘটিয়ে প্রকাশিত এই সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং জনমানসে সঠিক তথ্য তুলে ধরার স্বার্থে এই প্রতিবাদলিপিটি যথাসম্ভব গুরুত্বসহকারে প্রকাশের অনুরোধ করছি।