বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন

সর্বশেষ
নরসিংদির শিবপুর চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও জালিয়াতি চক্রের প্রধান মোঃ ফারুক ও মোঃ রমজান আলী বিরুদ্ধে এক বয়োবৃদ্ধর জমি মিথ্যা ও জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের পায়তারা অভিয়োগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ উৎসবমুখর আয়োজনে পালিত হলো তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক গুণীজন সংবর্ধনা কেরানীগঞ্জে চাঁদাবাজির দাপট ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, শিল্পযন্ত্র ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি লাইসেন্সের আড়ালে প্রতারণা: এস এম সুইং সেন্টারে মালিক আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পঙ্গু হাসপাতালের আব্দুল কাদের ও শ্যামলীর নূর-মসজিদের রফিকুল দুই ইমাম গড়েছেন সম্পদের পাহাড় গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের লুটপাট সমাচার “পিলার-কয়েনের নামে প্রতারণা: ব্যবসায়ী-উচ্চপদস্থরাও বঞ্চনার শিকার” বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ বন্দর: সহকারী প্রকৌশলী জালাল আহমেদ—দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ঠিকাদারি কারসাজির নতুন মহারাজা
নোটিশ
📢 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 📢 দৈনিক মিডিয়া বাজ পত্রিকায় জেলা, উপজেলা ও মহানগর পর্যায়ে বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। ✅ আগ্রহী প্রার্থীদেরকে অনুরোধ করা হচ্ছে, তাদের সম্পূর্ণ সিভি (CV) নিচের ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে বলফ যাচ্ছে: 📧 ই-মেইল: editor.mediabuzz@gmail.com. 📱 হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭৭৫০৯৮৬৩৮।  🔒 সতর্কতা: উল্লেখিত ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম বা নম্বরে যোগাযোগ করলে এবং তাতে কেউ প্রতারণার শিকার হলে, দৈনিক মিডিয়া বাজ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

কুলাউড়ায় ১০ কোটি টাকার সরকারি জায়গা উদ্ধার করলো প্রসাশন

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন

 

দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাঁচ ব্যক্তির দখলে থাকা ১০ একর সরকারি জায়গা উদ্ধার করেছে কুলাউড়া উপজেলা প্রসাশন।

বৃহস্পতিবার ২৪শে এপ্রিল দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা শরীফপুর ইউনিয়নের সঞ্জরপুর এলাকায় জায়গাগুলো উদ্ধার করে সরকারি সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। জায়গা উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ্ জহুরুল হোসেন। উদ্ধারকৃত জায়গার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা হবে বলে জানিয়েছেন প্রসাশন ।

শাহ্ জহুরুল হোসেন জানান, উপজেলার সঞ্জরপুর মৌজার ১ নম্বর দাগে ১০ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার লোকমান আলী, হেকিম আলী, মইন, গৌছ মিয়া ও কমর মিয়া নামে ব্যক্তিরা দখল করে ভোগ করছিলেন। সম্প্রতি পরিমাপের পর জায়গাগুলো সরকারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব জায়গা উদ্ধার করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। খাস জমি উদ্ধারে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *