রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
বলিয়াদী সিদ্দিকী পরিবার ও বিএনপির রাজনীতিতে ঐতিহ্যবাহী অবদানের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা নেতৃত্বকে ঘিরে আবারও সংগঠিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় রাজনীতির প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব **চৌধুরী তানবীর আহমেদ সিদ্দিকী**-এর পরিবারের উত্তরাধিকার বহনকারী এবং কালিয়াকৈরের জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব **ড. ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী**-এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সচেতন মহল অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত ৩৫ বছর ধরে বলিয়াদী সিদ্দিকী পরিবারকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অপচেষ্টার মূল কারণ হলো ড. ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও গণমানুষের আস্থাভাজন হয়ে ওঠা। জনসম্পৃক্ত রাজনীতি, সাংগঠনিক দৃঢ়তা এবং আইনি লড়াইয়ে আপসহীন অবস্থান তাঁকে কালিয়াকৈরের রাজনীতিতে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে—যা একটি পরাজিত ও স্বার্থান্বেষী চক্রের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গাজীপুর জেলা বিএনপির সংগ্রামী সদস্য সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিশিষ্ট আইনজীবী হিসেবে তাঁর অবস্থান সুদৃঢ় ও প্রশ্নাতীত বলে মত দিয়েছেন দলীয় নেতারা। তাঁদের ভাষ্য, রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া কিছু ব্যক্তি ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়ে চরিত্রহননের রাজনীতি শুরু করেছে; তবে গণমানুষের ভালোবাসার সামনে এসব অপপ্রচার টিকবে না।
কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর ও বাসন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ এসব কুৎসা রটনার বিরুদ্ধে ঘৃণাভরে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, মতভিন্নতা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য; কিন্তু মিথ্যা প্রচার ও ব্যক্তিগত আক্রমণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির ওপর আঘাত। এই ধরনের অপচেষ্টা শুধু একজন নেতার সম্মানহানি নয়—এটি স্থানীয় রাজনীতির সুস্থ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, অতীতের প্রেক্ষাপট টেনে এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী। দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বরং মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে গণমানুষের পাশে থাকার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারের জাল বিস্তার করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজ অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—যেন যাচাই ছাড়া কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করা হয় এবং মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হয়।