বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় “গণপূর্তের শীর্ষ প্রকৌশলীকে ঘিরে কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারি” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, একপেশে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। উক্ত সংবাদের মাধ্যমে আমাকে (প্রকৌশলী তাবেদুন নবী) জড়িয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, আমার দীর্ঘ কর্মজীবনে আমি সর্বদা রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধান অনুসরণ করে, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো সরকারি জমি অবৈধভাবে হস্তান্তর, অর্থের বিনিময়ে এনওসি প্রদান বা কোনো সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত।
সংবাদে যে বাউনিয়া মৌজার জমি ও এনওসি প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানাতে চাই—জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আমি কখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। অত্র মৌজার জমি নিয়ে প্রায় দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর যাবত আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তাই চলমান মামলা থাকায় কোন জমি বেহাত বা এনওসির মাধ্যমে হস্তান্তরের কোন সুযোগ নেই। এখানে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বা আর্থিক লেনদেনের প্রশ্নই ওঠে না। আরও দুঃখজনক বিষয় হলো, সংবাদ প্রকাশের আগে আমার বক্তব্য যথাযথভাবে গ্রহণ না করেই একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালার পরিপন্থী। এতে আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা স্পষ্ট।
আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি—
যদি কেউ সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে আমি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
একই সঙ্গে এই ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করছি।
আমি বিশ্বাস করি, সত্য কখনো চাপা থাকে না। যাচাই-বাছাই হলে প্রকৃত তথ্যই প্রকাশ পাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হবে।
জোয়ারদার তাবেদুন নবী
নির্বাহী প্রকৌশলী
গণপূর্ত অধিদপ্তর।