বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ
নরসিংদির শিবপুর চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও জালিয়াতি চক্রের প্রধান মোঃ ফারুক ও মোঃ রমজান আলী বিরুদ্ধে এক বয়োবৃদ্ধর জমি মিথ্যা ও জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের পায়তারা অভিয়োগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ উৎসবমুখর আয়োজনে পালিত হলো তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক গুণীজন সংবর্ধনা কেরানীগঞ্জে চাঁদাবাজির দাপট ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, শিল্পযন্ত্র ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি লাইসেন্সের আড়ালে প্রতারণা: এস এম সুইং সেন্টারে মালিক আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পঙ্গু হাসপাতালের আব্দুল কাদের ও শ্যামলীর নূর-মসজিদের রফিকুল দুই ইমাম গড়েছেন সম্পদের পাহাড় গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের লুটপাট সমাচার “পিলার-কয়েনের নামে প্রতারণা: ব্যবসায়ী-উচ্চপদস্থরাও বঞ্চনার শিকার” বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ বন্দর: সহকারী প্রকৌশলী জালাল আহমেদ—দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ঠিকাদারি কারসাজির নতুন মহারাজা
নোটিশ
📢 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 📢 দৈনিক মিডিয়া বাজ পত্রিকায় জেলা, উপজেলা ও মহানগর পর্যায়ে বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। ✅ আগ্রহী প্রার্থীদেরকে অনুরোধ করা হচ্ছে, তাদের সম্পূর্ণ সিভি (CV) নিচের ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে বলফ যাচ্ছে: 📧 ই-মেইল: editor.mediabuzz@gmail.com. 📱 হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭৭৫০৯৮৬৩৮।  🔒 সতর্কতা: উল্লেখিত ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম বা নম্বরে যোগাযোগ করলে এবং তাতে কেউ প্রতারণার শিকার হলে, দৈনিক মিডিয়া বাজ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

রাকিবের নেতৃত্বে মিরপুর বিআরটিএতে দালালচক্রের রাজত্ব, মালিকানা বদলে চলছে ঘুষের বাণিজ্য

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

মিরপুরে বিআরটিএ অফিসের মালিকানা বদল শাখায় অনিয়মের চিত্র যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। ১১৪ ও ১১৬ নম্বর রুমে দায়িত্বরত কর্মকর্তা রাকিব ও তার ঘনিষ্ঠ দালালচক্র নিয়মিতভাবে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি করে যাচ্ছে।

অনেক সময় দেখা গেছে, গাড়ির মালিকানা বদলের ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুইজনই উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও নানা অজুহাত তুলে কাজ আটকে দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলেও, রাকিব ও তার সহযোগীরা ইচ্ছাকৃতভাবে নানা সমস্যা দেখিয়ে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করেন।

অবস্থার চরমে গিয়ে, এই সমস্যা সমাধানের সহজ পথ হিসেবে দেখানো হয় দালালদের হাত। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি ফাইলের জন্য দালালের মাধ্যমে ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিলে কাজ অনায়াসে হয়ে যায়।

সরেজমিনে ১১৬ নম্বর রুমে গিয়ে দেখা যায়, দালাল মনির, বাবু আরো অনেকে সরকারিভাবে নির্ধারিত চেয়ারে বসে সরকারি কর্মচারীর মতোই দালালির কাজ করছে। তারা প্রকাশ্যেই গ্রাহকদের কাছে টাকা দাবি করছে এবং কাজ দ্রুত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

আরো দেখা যায় ১১৪ নম্বর রুমে প্রকাশ্যে সরকারি চেয়ারে বসে গ্রাহকদের সরাসরি স্লিপ দিচ্ছে জসিম,গিয়াস, সুমন ও আরো অনেকে।

এমন দৃশ্য দেখেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাকিব নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। সচেতন মহলের দাবি, এই দালালচক্র ভেঙে দিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক, যেন সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয়।

এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে বিআরটিএ’র শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য উর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *