বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ
নরসিংদির শিবপুর চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও জালিয়াতি চক্রের প্রধান মোঃ ফারুক ও মোঃ রমজান আলী বিরুদ্ধে এক বয়োবৃদ্ধর জমি মিথ্যা ও জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের পায়তারা অভিয়োগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ উৎসবমুখর আয়োজনে পালিত হলো তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক গুণীজন সংবর্ধনা কেরানীগঞ্জে চাঁদাবাজির দাপট ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, শিল্পযন্ত্র ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি লাইসেন্সের আড়ালে প্রতারণা: এস এম সুইং সেন্টারে মালিক আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পঙ্গু হাসপাতালের আব্দুল কাদের ও শ্যামলীর নূর-মসজিদের রফিকুল দুই ইমাম গড়েছেন সম্পদের পাহাড় গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের লুটপাট সমাচার “পিলার-কয়েনের নামে প্রতারণা: ব্যবসায়ী-উচ্চপদস্থরাও বঞ্চনার শিকার” বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ বন্দর: সহকারী প্রকৌশলী জালাল আহমেদ—দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ঠিকাদারি কারসাজির নতুন মহারাজা
নোটিশ
📢 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 📢 দৈনিক মিডিয়া বাজ পত্রিকায় জেলা, উপজেলা ও মহানগর পর্যায়ে বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। ✅ আগ্রহী প্রার্থীদেরকে অনুরোধ করা হচ্ছে, তাদের সম্পূর্ণ সিভি (CV) নিচের ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে বলফ যাচ্ছে: 📧 ই-মেইল: editor.mediabuzz@gmail.com. 📱 হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭৭৫০৯৮৬৩৮।  🔒 সতর্কতা: উল্লেখিত ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম বা নম্বরে যোগাযোগ করলে এবং তাতে কেউ প্রতারণার শিকার হলে, দৈনিক মিডিয়া বাজ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

তেলিখালিতে সচিব জলিলের অবৈধ সম্পদের পাহাড়

ক্রাইম রিপোর্টার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন

পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া থানার তেলিখালি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. জলিলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ তার অনিয়ম ও দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, সচিব জলিল অভিনব কায়দায় সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন। প্রায় ৪-৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি আলিশান দ্বিতল ভবন এবং ৫-৭ বিঘা জমির ওপর বিশাল পুকুরসহ রয়েছে প্রচুর সম্পদ, যা তার আয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। পুকুরটির চারপাশ টাইলস দ্বারা নির্মিত বেষ্টনিতে মোড়ানো। এছাড়া নামে-বেনামে আরও জমি ও সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

 

সরকারি অনুদান আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ এলাকাবাসী একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাখিল করলেও অদৃশ্য শক্তির আশ্রয়ে আজও তা বিচারাধীন রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদটি যেন দুর্নীতি ও হয়রানির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

 

অনুসন্ধানকালে একাধিক ভুক্তভোগী জানান, জন্মনিবন্ধন সংশোধনে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। সফটওয়্যার সমস্যা দেখিয়ে দুই-তিনবার বাড়তি ফি আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া আইডি কার্ড সংশোধন, ভাতা কার্ড ও মৃত্যু সনদ ইস্যুতেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। অনেকে চোখের পানি ফেলেই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ফিরে গেছেন।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন হাওলাদারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় সচিব জলিল দীর্ঘদিন ধরে একক আধিপত্য কায়েম করেছেন। সরকার পরিবর্তনের পর দুর্নীতির বিচার এড়াতে সচিব জলিল বিভিন্ন দপ্তরে বদলির জন্য জোরালো তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

 

এলাকাবাসী জানান, “দুর্নীতিবাজ সচিব জলিলকে দ্রুত অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।” তারা আরও বলেন, “তেলিখালি ইউনিয়নে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য এটি এখন সময়ের দাবি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *